Sunday, April 1, 2018

What Great Listeners Actually Do (ভাল শ্রোতারা প্রকৃতপক্ষে কি করে )





Image result for great listenerIn our experience, most people think good listening comes
down to doing three things:

Not talking when others are speaking

Letting others know you’re listening through facial expressions

Being able to repeat what others have said
We analyzed data describing the behavior of 3,492 and found some
surprising conclusions. We grouped them into four main findings:

Wednesday, May 31, 2017

বাংলায় পি.এল.সি ( ধারাবাহিক পর্বের চতুর্থ পর্ব )


কিছুদিন আগে বাংলায় পি.এল.সি নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে পোস্ট করা শুরু করেছিলাম । কিন্তু কাজের চাপে কিছুদিন থেকে কোনো পোস্ট করা হয়নি । এজন্য সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি । আশা করছি এখন থেকে নিয়মিত পি.এল.সি নিয়ে আলোচনা করা যাবে ।

আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করব টাইমার নিয়ে কারণ পি.এল.সি প্রোগ্রামিং করতে গেলে এই টাইমার সর্ম্পকে জানা খুব জরুরী ।
তো চলুন শুরু করা যাক ।
আমরা নিচের যে ছবি দেখতে পাচ্ছি এগুলোই মোটামুটি পি.এল.সি প্রোগ্রামিং করতে গেলে প্রয়োজন হয় ।

এখন আমরা একটা একটা করে বিস্তারিত আলোচনা করব যাতে এগুলো আপনারা খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারেন ।

১) অন ডিলে টাইমারঃ 
 এটা হলো অন ডিলে টাইমার এর সিম্বল । অন ডিলে টাইমার হলো এমন একটা টাইমার যা আপনি যে নির্দিষ্ট সময় সেট করে দিবেন সেই নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর টাইমার অন হবে (অর্থাৎ ০ থেকে ১ হবে ) ।

ও হ্যাঁ অন ডিলে টাইমার আবার দুইপ্রকার
ক) NOTC (Normally Open Timed Close)= এটা নরমালি ওপেন থাকে , একটা নির্দিষ্ট সময় পর অন হয় বা ক্লোজ হয় ।
খ) NCTO (Normally closed, Timed open)= এটা নরমালি ক্লোজ থাকে , একটা নির্দিষ্ট সময় পর অন হয় বা ওপেন হয় ।

উদাহরণ স্বরুপ বলা যেতে পারে আপনি একটি মটর অন করবেন কিন্তু মটর টি অন হবে সুইচ অন করার ৫ সেকেন্ড পর ।
নিচের ছবি টি লক্ষ্য করুনঃ

ক) NOTC (Normally Open Timed Close)= এটা নরমালি ওপেন থাকে , একটা নির্দিষ্ট সময় পর অন হয় বা ক্লোজ হয় ।
 


দেখুন টাইমার টি অন হওয়ার পর ৫ সেকেন্ড পর কনট্যাক্ট ক্লোজ হয়েছে , অর্থাৎ মটর টি বা যেটাতে কানেকশন দেয়া আছে সেটি ৫ সেকেন্ড পর অন হবে ।
খ) NCTO (Normally closed, Timed open)= এটা নরমালি ক্লোজ থাকে , একটা নির্দিষ্ট সময় পর অন হয় বা ওপেন হয় ।
আবার আপনি যদি এমনটি করতে চান যেন টাইমার অন হওয়ার ৫ সেকেন্ড পর মটর অফ করবেন তাহলে শুধু NCTO ব্যবহার করলেই হয়ে যাবে ।
নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন 


২) অফডিলে টাইমারঃ
 
এই হলো অফ ডিলে টাইমারের সিম্বল ।  এটা জাস্ট অন ডিলে টাইমারের অপোজিট ।
অফ ডিলে টাইমার আবার দুইপ্রকার
ক) NOTO (Normally Open, Timed Open)= এটা নরমালি ওপেন থাকে , একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ওপেন থাকে ।
খ) NCTO (Normally closed, Timed Closed)= এটা নরমালি ক্লোজ থাকে , একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ক্লোজ থাকে ।
নিচের ছবি দুইটি লক্ষ্য করুন , আশা করছি বুঝতে পারবেন ।

ক) NOTO (Normally Open, Timed Open):
 

দেখুন কয়েল পাওয়ার অফ হওয়ার ও ৫ সেকেন্ড পর কনট্যাক্ট ওপেন হয়েছে অর্থাৎ যতক্ষণ টাইম সেট করে দিবো ততক্ষণ পর্যন্ত কনট্যাক্ট ক্লোজ থাকবে NOTO তে ।
খ) NCTO (Normally closed, Timed Closed):
 
 
এই ধরণের কনট্যাক্ট নরমালি ক্লোজ থাকবে যখন কয়েল আনপাওয়ার্ড থাকবে । কয়েল এনার্জাইজড হওয়ার সাথে সাথেই কনট্যাক্ট ওপেন হবে কিন্তু কয়েল ডিএনার্জাইজড হওয়ার পর আপনি যতক্ষণ সময় সেট করবেন ততক্ষণ পর ক্লোজ হবে ।
যদিও অফ ডিলে টাইমার এর ব্যবহার অন ডিলে টাইমারের চেয়ে অনেক কম ।

৩) অন-অফ ডিলে টাইমারঃ
 অন অফ ডিলে টাইমার এর সিম্বল এটা । এটাও মূলত একধরণের টাইমার যেখানে একটা টাইমার দিয়েই আপনি অন ডিলে আর অফ ডিলে টাইমার ব্যবহার করতে পারেন ।
ধরা যাক আপনি টাইমার দিয়ে একটি কয়েল অন করাতে চাচ্ছেন, আবার অফ ও করাতে চাচ্ছেন এবং টাইম সেট করে দিলেন অন টাইম ৫ সেকেন্ড এবং অফ টাইম ৭ সেকেন্ড । সেক্ষেত্রে টাইমার অন করার ৫ সেকেন্ড পর কয়েল অন হবে এবং টাইমার অফ করার ও ৭ সেকেন্ড পর কয়েল অফ হবে ।

৪) রিটেনটিভ অন ডিলে টাইমারঃ
রিটেনটিভ অন ডিলে টাইমার এর ক্ষেত্রে দুইটি ইনপুট আছে । আপনি একটি ইনপুট বা ট্রিগার দিয়ে শুধু টাইমার অন করাতে পারবেন এরপর আপনি যতবার ট্রিগারে ভোল্টেজ দেন না কেন টাইমার অন থাকবে । টাইমার অফ করার জন্য রিসেট নামক আর একটা ইনপুট আছে । এটাতে ০ থেকে ১ হলেই অর্থাৎ ভোল্টেজ দিলেই টাইমার অফ হয়ে যাবে । 

৫)  উইপিং রিলে টাইমারঃ 
 এটা আর এক ধরণের মজার টাইমার যেখানে আপনি যতক্ষণ টাইমারে টাইম সেট করে দিবেন ততক্ষণই টাইমার অন থাকবে । ধরুণ আপনি টাইমার ১০ সেকেন্ড সেট করলেন এখন টাইমার এর ইনপুট আপনি যখন অন করলেন বা ০ থেকে ১ করলেন সাথে সাথেই আউটপুট ১ হবে কিন্তু ১০ সেকেন্ড পর আবার ০ হয়ে যাবে । অর্থাৎ যতক্ষণ টাইম সেট করা থাকবে ততক্ষণই টাইমার অন থাকবে ।

৬) উইকলি টাইমারঃ এই হলো আর একধরণের টাইমার ।
 যার সিম্বল এ ধরণের । এটা দিয়ে সপ্তাহের যে কোনো দিন যতক্ষণ ইচ্ছা টাইমার অন এবং যতক্ষণ ইচ্ছা টাইমার অফ রাখতে পারবেন । নিচের ছবিটি দেখলে কিছুটা বুঝতে পারবেন ।

৭) ইয়ারলি টাইমারঃ 
 এই ধরণের টাইমারে একটি অন আর অফ ডেট থাকে । আপনি নির্দিষ্ট বছর , নির্দিষ্ট দিনে , নির্দিষ্ট সময়ে টাইমার অন করতে পারবেন আবার আপনার পছন্দের সময়ে টাইমার অফ করতে পারবেন । সিমেন্স এর লোগো পি.এল.সি তে জানুয়ারি ১, ২০০০ সাল থেকে ডিসেম্বর ৩১, ২০৯৯ পর্যন্ত সিলেক্ট করতে পারবেন ।

আমাদের সাধারনত সবচেয়ে বেশি লাগে ১ আর ২ নাম্বার টাইমার । মোটামুটি এই সব টাইমার দিয়ে পি.এল.সির প্রোগ্রাম করা হয়ে থাকে ।
যখন উদাহরণ দেখবো তখন আরো বিষয়গুলো ক্লিয়ার হবে ।
সবাই ভাল থাকবেন ।